ব্রেকিং

x

করোনা: যোগাযোগের জন্য আরো ৮টি নম্বর

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২০ | ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ | 86 বার

করোনা: যোগাযোগের জন্য আরো ৮টি নম্বর
ছবি- অর্থকাল

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও আটটি হটলাইন চালু করা হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি ১ থেকে ৩ এ উন্নীত হওয়ায় হটলাইনের সংখ্যা চারটি থেকে বাড়িয়ে ১২টি করা হয়েছে।

নতুন চালু করা হটলাইনের নম্বরগুলো হলো- ০১৪০১১৮৪৫৫১, ০১৪০১১৮৪৫৫৪, ০১৪০১১৮৪৫৫৫, ০১৪০১১৮৪৫৫৬, ০১৪০১১৮৪৫৫৯, ০১৪০১১৮৪৫৬০, ০১৪০১১৮৪৫৬৩, ০১৪০১১৮৪৫৬৮।

এর আগে গত রোববার (০৮ মার্চ) আইইডিসিআর চারটি হটলাইনের নম্বর দেয়। নম্বরগুলো হলো: ০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১, ০১৯৩৭১১০০১১।

আইইডিসিআর জানিয়েছেন, যারা আক্রান্ত দেশ থেকে ভ্রমণ করে এসেছেন এবং যাদের মধ্যে করোনার লক্ষণ- জ্বর, কাশি, গলাব‌্যাথা বা শ্বাসকষ্টের উপসর্গ রয়েছে, তারা যেনো হটলাইনে যোগাযোগ করেন। অথবা নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে যান।

এদিকে নতুন করে কোনো সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড নাইনটিন শনাক্ত করার সুবিধা সংযোজনের পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সাধারণ লক্ষণ উপসর্গ নিয়ে সরাসরি না এসে বাসায় থেকেই হট লাইনে যোগাযোগ করে চিকিৎসা পাওয়া যাবে বলেও জানায় বিভাগটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হলেই এ থেকে বাঁচা সম্ভব।

সাধারণ কিংবা মারাত্মক। যে কোনো ধরনের লক্ষণ-উপসর্গ নিয়ে রাজধানীর মহাখালীর রোগতত্ত্ব বিভাগে হাজির হচ্ছেন করোনা সংক্রমণের সন্দেহে থাকা মানুষ। একমাত্র মুখপাত্র প্রতিষ্ঠান হওয়ায় চিকিৎসকরাও এ বিভাগেই রোগীকে পাঠাচ্ছে পরীক্ষার জন্য।

অবশ্য সারাদেশে শুধু এ প্রতিষ্ঠানটি থেকেই কোভিড নাইনটিন করোনা শনাক্ত করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হচ্ছে, কক্সবাজারসহ ঢাকার বাইরেও কয়েকটি বিশেষায়িত ল্যাব প্রস্তুত আছে। এর বাইরে সরকারি বা বেসরকারি কোনো হাসপাতালে শনাক্তকরণের এ সুবিধা সংযোজনের পরিকল্পনা আছে কি, প্রশ্ন ছিল অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে।

জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমরা এখনও কোনো বেসরকারি হাসপাতালকে এ পরীক্ষা করার অনুমতি দিতে চাই না। সরকারি হাসপাতালের সব জায়গায় এটা করা সম্ভব নয় এবং দরকারও নাই। যাদের সর্দি-কাশির সমস্যা তারা আসলেই হবে না, তারা আমাদের কল করে জানালে তখন আমরা বলব, এখানে আসতে হবে নাকি আমরা গিয়ে তার নমুনা সংগ্রহ করব।

এমন অবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও শঙ্কিত না হয়ে বলছেন সতর্কতার কথা।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, বিদেশ থেকে কেউ আসলে সে নিজেই নিজেকে কোয়ারেন্টাইনে রাখবে। ১৪ দিন পর্যন্ত কোনো লক্ষণ দেখা না গেলে তার শরীরে ভাইরাস নাই।

বিএসএমএমইউর সাবেক উপাচার্য ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, অসুস্থ রোগীর সঙ্গে সুস্থ রোগীর একটা দেয়াল তৈরি করতে হবে। তাকে ভাবতে হবে সে এমন কোনো দেশে ছিলেন কিনা যেখানে করোনা ভাইরাস রয়েছে।

বিএসএমএমইউর ভাইরোলজিস্ট ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাস নাক, চোখ ও মুখ দিয়ে ঢোকে। এই তিনটা জায়গা আমরা প্রোটেক্ট করতে পারলে আমাদের শরীরে করোনা ভাইরাস ঢুকবে না।

কোভিড নাইনটিন সম্পর্কিত সেবা সহজতর করতে আগের নতুন করে ৮টিসহ ১২টি হট লাইন নম্বর চালু করেছে রোগতত্ত্ব বিভাগ।

Development by: webnewsdesign.com