ব্রেকিং

x

কেন খাবেন আখের রস?

বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২ | ৪:৪৭ অপরাহ্ণ |

কেন খাবেন আখের রস?
ফাইল ছবি

গরমের এ সময় আখের রস অনেকের পছন্দ। গ্রীষ্মের রোদের মধ্যে রসে চুমুক দিলেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। শুধুমাত্র তৃষ্ণা মেটায় তা নয়, আখের রসে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। যা শরীর থেকে দূষিত পদার্থ নির্মূল করে, শরীরকে করে তোলে সতেজ।

এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং বহু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা যোগায়। এ রস মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও এতে উপস্থিত ফ্যাটের পরিমাণ খুব কম।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : ডায়াবেটিস রোগীদের অনেকেই আখের রস এড়িয়ে চলেন। কিন্তু বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আখে আইসোম্যাল্টোজ নামক একটি উপাদান রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে নেমে গেলে, আখের রস খেলে উপকার পাওয়া যায়। হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের জন্যেও এই রস উপকারী। তবে কী পরিমাণে খাবেন, তা চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে খেতে হবে।

শক্তি বৃদ্ধি : সাধারণত গরমের সময় ঘাম বেশি হয়। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। অনেকেই খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। এই সময় আখের রস পান করলে শরীরে কার্বোহাইড্রেট বৃদ্ধি পায়, যা শক্তির মাত্রা বাড়ায়।

প্রজনন ক্ষমতা : নারী ও পুরুষ, উভয়ের ক্ষেত্রে প্রজননের নানা সমস্যার সমাধানে কার্যকরী আখের রস। বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে আখের রস অনেক উপকারী। নারীদের সন্তান প্রসবে সহায়তা করে। দুগ্ধদানকারী মায়েদেরও আখের রস সহায় হয় বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

লিভার ভালো রাখে : যখন কোনো ব্যক্তির জন্ডিস হয়, তখন তাকে আখের রস দেওয়া উচিত। আখের রস লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি লিভার সুস্থ রাখে এবং লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।

ত্বক পরিচর্যায় : গ্রীষ্মের কড়া রোদ এবং ঘামে ত্বকের উজ্জ্বলতা কমে যায়। আখের রস ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতেও সাহায্য করে। আখের মধ্যে রয়েছে উচ্চ-মাত্রার সুক্রোজ, যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এটি মুখের দাগ দূর করে এবং শরীরের বিষাক্ত বা টক্সিন উপাদান পরিষ্কার করে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা : আখে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ফাইবার নিয়ন্ত্রণে রাখে কোলেস্টেরলের সমস্যাকেও।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা : আখের রসে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শরীরে শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে পারে। ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

Development by: webnewsdesign.com