ব্রেকিং

x

গাজায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলা, প্রাণ গেল ১০ জনের

শনিবার, ১৫ মে ২০২১ | ৬:৫১ অপরাহ্ণ |

গাজায় শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের হামলা, প্রাণ গেল ১০ জনের
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বোমা হামলা টানা ষষ্ঠ দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে। এর মাঝেই শনিবার ভোরের দিকে এই উপত্যকার একটি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন; যাদের আটজনই শিশু।

ইসরায়েলের টানা হামলায় শনিবারও উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে মরদেহ বের করে আনতে কাজ করে যাচ্ছেন। যে কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে, হামলার জবাবে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল হামাস ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আসকহেলন এবং আশদুদে কয়েক ডজন রকেট নিক্ষেপ করেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গত সোমবার থেকে গাজায় শুরু হওয়া ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ শিশু-সহ ১৩৯ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া এতে আহত হয়েছেন আরও ৯৫০ জন।

গাজায় বোমা হামলা এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন পশ্চিম তীরের হাজার হাজার বাসিন্দা। পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে ১৩ নিরীহ ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। এছাড়া পূর্ব জেরুজালেমেও শনিবার রাতে ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে।

চলমান এই হামলা-পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত ৮ ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেল আবিব। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা লক্ষ্য করে গাজা থেকে শত শত রকেট ছোড়া হয়েছে। অবরুদ্ধ এই উপত্যকার পূর্বাঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় গাজার উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলের বোমা হামলা ও গোলাবারুদ থেকে বাঁচতে গাজায় জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পরিবারসহ আশ্রয় নিয়েছেন।

জাতিসংঘ বলছে, ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান হামলার মখে গাজার প্রায় ১০ হাজার বাসিন্দা বাড়িঘর ছেড়েছেন।
ইহুদিবাদী রাষ্ট্র সৃষ্টির লক্ষ্যে গত ৭৩ বছর ধরে ফিলিস্তিনে জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। অবৈধ ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার ৭৩তম বার্ষিকীতে আজ শনিবার নাকাবা (বিপর্যয়) দিবস পালন করছেন ফিলিস্তিনিরা। -সূত্র: আলজাজিরা, রয়টার্স।

Development by: webnewsdesign.com