ব্রেকিং

x

গােলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন সরওয়ার হােসেন

সোমবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১:২৬ অপরাহ্ণ |

গােলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন সরওয়ার হােসেন

সৎ, যােগ্য, নির্লােভ-সদা হাস্যজ্বল প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেন সরওয়ার হােসেন। তিনি কানাডা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। বর্তমানে তিনি গােলাপগঞ্জ-বিয়ানী বাজার নির্বাচনী এলাকার সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে প্রস্ততি নিচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকার ৩০০ নেতাকর্মীসহ বিশাল গাড়ি বহর নিয়ে টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করে সারাদেশে সাড়া ফেলে দিয়েছেন! আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়েও বিষয়টি প্রশংসিত হয়েছে!

গােলাপগঞ্জ -বিয়ানী বাজার থেকে নির্বাচিত এমপি নূরুল ইসলাম নাহিদ শিক্ষা মন্ত্রীর দায়ীত্ব পালন করছেন। কিন্ত শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থার কারণে এই দপ্তরটি বিভিন্ন সময় আলোচিত ও সমালোচিত হয়েছে। যে কারণে শিক্ষামন্ত্রীর জনপ্রিয়তা অনেকটা তলানিতে । অন্যদিকে তাঁর এলাকার রাস্তাঘাটের ভগ্নদশা ও নেতাকর্মীদের সাথে দুরত্ব তৈরী হয়েছে। দুইবারের শিক্ষামন্ত্রী হয়ে নাহিদ শিক্ষা ব্যবস্থাকে যতটুকু উচ্চতায় নিয়ে যাবার আশা করা হয়েছিল তার অর্ধেক উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেননি। নাহিদ এলাকায় অনেকটা জনবিচ্ছিন্ন। এর মূলে তাঁর অনুগামী স্থানীয় কিছু নেতা দায়ী তারা মন্ত্রীকে এলাকার সঠিক অবস্থা অবগত না করে জন বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। এলাকার মানুষ বিক্ষােব্দ!
যদি এই আসন থেকে তিনি নির্বাচনের টিকিট পান তবে আওয়ামীলীগের এই আসনটি হয়ত পাঁচ বছরের জন্য হাতছাড়া হতে পারে। এলাকা ঘুরে মানুষের সাথে কথা বলে অন্তত এরুপ আভাস পাওয়া গেছে। সবচাইতে বিক্ষুব্দ মানুষ উন্নয়ন বঞ্চনা ও নেতার কাছ থেকে অবহেলার শিকার হয়ে।
এই আসনের অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হলেন জনাব সরওয়ার হােসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পারিবারিক তালিকায় থাকলেও কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। বাড়ি দখল-তদবির কিংবা বিভিন্ন প্রকার অসাধুপন্থা অবলম্বন করার মতাে অভিযােগ তাঁর বিরুদ্ধে নেই। এলাকার নেতাকর্মী ও আপামর জনসাধারণের সাথে রয়েছে তাঁর সখ্যতা। মানুষের আপদে বিপদে সব সময় তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন। খুবই সাদামাটা নির্মোহ চরিত্রের অধিকারী সরওয়ার হােসেনের কর্মকান্ডের খােঁজ খবর নিতে গতকাল ২৮ আগষ্ট বুধবার ঢাকা পার্ক সার্কাসে তাঁর ফ্ল্যাটে ইটালি যুবলীগ নেতা আশরাফ উদ্দিন-ও বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোসাদ্দিক সাজুল-কে নিয়ে উপস্থিত হই। আমাদের যাবার বিষয়টি তাঁকে অবহিত করেন আশরাফ উদ্দিন। নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে আমরা উপস্থিত হই। সরওয়ার হােসেন আমাদের কে হাসিমুখে বরণ করেন। তারপর বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- আমি কখনো কােনো অনিয়ম দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেইনি নিজেও কখনো তাতে জড়াইনি। ক্ষমতার এত কাছাকাছি থাকলে অনেক সময় মানুষ লোভ মােহের বষে নিজেকে ঠিক রাখতে পারেনা কিন্ত মহান আল্লাহপাকের কৃপায় আমি নিজেকে কলুষতার উর্ধে রাখতে পেরেছি এর জন্য শোকরিয়া আদায় করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পারিবারিক সদস্য তালিকায় থেকেও কখনো অহমিকা কিংবা কারোপ্রতি জুলুম করিনি। নিজের সাধ্যানুযায়ী ভিশন ৪১ এর লক্ষ্য পুরণে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন- মানুষ নেতার কাছ থেকে নেতা সূলভ আচরণ আশা করে। নেতা তার কর্মীকে ছায়া দেবেন- সুরক্ষা দেবেন তার আপদ বিপদে পাশে দাঁড়াবেন এটাই প্রত্যাশা করে। নেতার সাথে থাকবে জনতার সংযােগ। আর এই সংযােগ রক্ষা করতে না পারলে নেতা জন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন। তিনি যত বড় নেতা হােন না কেন।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন-আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের পাশে আছি। সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করি মানুষের উপকার করার।
সম্প্রতি আমার নির্বাচনী এলাকার ৩০০ নেতাকর্মীকে নিয়ে টুঙ্গীপাড়া জাতীর পিতার কবর জিয়ারত করে এসেছি। অচিরেই আরেকটি দল নিয়ে সেখানে যাবো। এই যাবার কারণ হলো নেতা কর্মীরা এই ঐতিহাসিক স্থান দর্শন করলে-জাতির পিতার কবর জিয়ারত করলে তাদের মনোবল অনেক বেড়ে যাবে। অনেকেই এই জায়গায় যাবার সুযােগ হয়ে ওঠেনি। তাই আমি এই সুযােগ তৈরী করার মাধ্যমে যে একটি ধারার সূচনা হলো তা হয়ত সারা দেশের নেতা কর্মীরা অনুস্বরণ করবে। উজ্জীবিত হবে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে।
আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা কি জানতে চাইলে বলেন- বিএনপি নির্বাচনে আসলে একধরনের চিন্তা আর না আসলে জাতীয় পাটিকে নিয়েই নির্বাচন করা হবে। তাঁর প্রার্থীতার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন-আমি প্রস্তত। বাদবাকি আল্লার হুকুম ও নেত্রীর ইচ্ছা।

Development by: webnewsdesign.com