ব্রেকিং

x

ডিএসইর শোকজের কবলে ৫ কোম্পানি

সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ | ৭:০৫ অপরাহ্ণ | 1303 বার

ডিএসইর শোকজের কবলে ৫ কোম্পানি

ডিএসইর শোকজ নোটিশ পেয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫ কোম্পানি।  এগুলো হলো- ইবনে সিনা, লিব্রা ইনফিউশন, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর এবং ন্যাশনাল পলিমার। এসব কোম্পানির অস্বাভাবিক হারে দর  বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে   ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
ডিএসই জানিয়েছে, কোম্পানি ৫টি শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনের কারণ জানতে চেয়ে ১৯ ও ২২ জুলাই নোটিশ পাঠানো হয়। এর জবাবে কোম্পানিগুলোর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এ বিষয়ে তাদের কাছে অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।
ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ : জেড গ্রুগের এই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৮ জুলাই থেকে বাড়ছে। ৮ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা বেড়ে ১৯ জুলাই দাঁড়ায় ৪ টাকায়। এর প্রেক্ষিতেই ডিএসই থেকে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়।
কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৭০ দশমিক ৩৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং বিদেশিদের কাছে ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার।
রেনউইক যজ্ঞেশ্বর : গত ১২ জুলাই থেকে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ছে। ১২ জুলাই কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৬৮৫ টাকা, যা টানা বেড়ে ২২ জুলাই লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ৯২৮ টাকা। এর প্রেক্ষিতেই ডিএসই থেকে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়।
কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৫১ শতাংশ রয়েছে সরকারের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ শেয়ার।
ন্যাশনাল পলিমার : কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৯ জুলাই থেকে বাড়ছে। ৯ জুলাই কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৮৭ টাকা, যা টানা বেড়ে ২২ জুলাই লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ১০৭ টাকায়। এর প্রেক্ষিতেই ডিএসই থেকে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়।
কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৫৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১০ দশমিক ১০ শতাংশ।
লিব্রা ইনফিউশন : গত ১২ জুলাই থেকে লিব্রা ইনফিউশনের শেয়ারের দাম টানা বাড়ছে। ১২ জুলাই কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ৯০০ টাকা, যা টানা বেড়ে ১৯ জুলাই লেনদেন শেষে দাঁড়ায় ১ হাজার ১৪ টাকায়। এর প্রেক্ষিতেই ডিএসই থেকে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়।
কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৩৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৫১ দশমিক ৭১ শতাংশ রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ার।
ইবনে সিনার : কোম্পানিটির শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনের কারণ জানতে চেয়ে ২২ জুলাই নোটিশ পাঠানো হয়। এর জবাবে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এ বিষয়ে তাদের কাছে অপ্রকাশিত কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।
তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১১ জুলাই লেনদেন শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ২৫২ টাকা। সেখান থেকে টানা বেড়ে সাত কার্যদিবসের ব্যবধানে ২৩ জুলাই দাঁড়ায় ৩২২ টাকায়।
এই দাম বাড়ার প্রেক্ষিতেই ডিএসই থেকে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয় এবং কোম্পানি কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করতে সোমবার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৪৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৩৮ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার।

অর্থকাল/এসএ/খান

Development by: webnewsdesign.com