ব্রেকিং

x

তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালকসহ বরখাস্ত ৩

মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ | ২:৫২ অপরাহ্ণ | 74 বার

তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের চালকসহ বরখাস্ত ৩

সিগন্যাল অমান্য করায় তূর্ণা নিশিথা এক্সপ্রেসের চালক ও সহকারী চালকসহ ৩ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১১ নভেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলস্টেশনে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া অর্ধশতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ দুর্ঘটনায় আরও হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) হায়াত উদ-দৌলা খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তূর্ণা নিশীথা ট্রেনটি সিগন্যাল অমান্য করে লাইনে ঢুকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান বলেন, সম্ভবত সিগন্যালের ভুল বোঝাবুঝিতে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক জেলা পুলিশের সদস্য, থানা পুলিশ, বিজিবি সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য জেলা প্রসাশকের কর্মকর্তা সবাই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

চালকের ভুলেই কসবায় মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী।

সোমবার (১১ নভেম্বর) দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবার মন্দবাগ নামক স্থানে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

তবে মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি চালকের ভুলের কারণেই হয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্দবাগ রেলস্টেশনের মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, আউটার ও হোম সিগন্যালে লাল বাতি (সতর্ক সংকেত) দেয়া ছিল। কিন্তু তুর্ণা নিশীথার চালক সিগন্যাল অমান্য করে ঢুকে পড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়াৎ উদ-দৌলা খানও একই কথা জানিয়েছেন।

তুর্ণা নিশীথার এক যাত্রী বলেন, উদয়ন এক্সপ্রেস অন্য লাইনে ঢোকার আগেই বিপরীত দিক থেকে এসে তুর্ণা নিশীথা ধাক্কা দেয়। এতে তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ সময় আমরা ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলাম। তাড়াতাড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়ি।

অন্যদিকে উদয়ন এক্সপ্রেসের এক যাত্রী জানান, তাদের ট্রেনটি লাইন ক্রস করছিল। ওই সময় দ্রুত গতিতে এসে তুর্ণা নিশীথা ট্রেনটিকে ধাক্কা দেয়। তবে সামনের বগিতে থাকায় তারা কেউ হতাহত হননি। পেছনে ঝ, ঞ, বগিসহ আরেকটি বগির যাত্রীরা বেশি আহত হয়।

মন্দবাগ এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমরা গভীর রাতে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। ঘর থেকে বের হয়ে দেখি কান্নার শব্দ। এখানে সেখানে ছিটকে পড়ে আছে নারী, পুরুষ, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষের মরদেহ। এলাকার সবাই বেড়িয়ে আহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা করি।

Development by: webnewsdesign.com