ব্রেকিং

x

পরিস্থিতির অবনতি হলে পুনরায় লকডাউন

বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট ২০২১ | ২:৫৯ অপরাহ্ণ |

পরিস্থিতির অবনতি হলে পুনরায় লকডাউন
ফাইল ছবি

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আক্রান্ত বাড়তে থাকলে এবং মানুষ না মানলে আবার লকডাউন দেয়া হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অবনতি হলে আবারও দেশজুড়ে লকডাউন আরোপ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। জানান, বিধিনিষেধ, লকডাউন বা শাটডাউন একমাত্র সমাধান নয়। তাই সবার সহযোগিতা নিয়ে সংক্রমণের উচ্চগতি নিয়ন্ত্রণে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপে সরকারের এসব ভাবনার কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আক্রান্ত বাড়তে থাকলে এবং মানুষ না মানলে আবার লকডাউন দেয়া হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।’

ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টা সবাইকে উপলদ্ধি করতে হবে। অর্থনৈতিক বিপর্যয় পুরো বিশ্বেই। আর লকডাউন একমাত্র কোনো সমাধান নয়। একটানা ২৯ দিন, তারপর আরও কিছুদিন ছিল। সরকার চায় সবার সহযোগিতার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে।’

৩ আগস্টের আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব কিছু ধাপে ধাপে চালু করা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। বলেন, ‘একটানা নিষেধাজ্ঞা থাকায় মানুষ অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। যদিও করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে নয়। নতুন প্রজ্ঞাপনে পর্যটন কেন্দ্র চালুর কথা বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে পঞ্চাশ শতাংশ মানুষের ব্যবস্থা করা যাবে। আর ১৯ তারিখ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব গণপরিবহন চালু হবে। মূলত জোর দেয়া হচ্ছে স্বাস্থবিধি মেনে চলার ওপর। এক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগটাও কঠোর হবে।’

হোটেলগুলোতে নির্দেশনা মানাতে মোবাইল কোর্ট থাকবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। বলেন, ‘তবে সরকার চায় সবাই নিজেই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্দেশনা মেনে চলবেন।’

করোনা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে পর্যটনসহ সবকিছুই ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ চালু করা হবে বলে জানান ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যব্যবস্থাও দেখতে হয় আবার জনকল্যাণের চিন্তাও করতে হয়। তাই সরকার সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়। সবার সঙ্গে (স্টেকহোল্ডার) যোগাযোগ ও আলোচনা করা হয়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ভাবা হচ্ছে। আশা করছি, সবাই সচেতন হবেন, তাহলেই পরিস্থিতির উন্নতি হবে। শনাক্ত পাঁচ শতাংশের নিচে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

Development by: webnewsdesign.com