ব্রেকিং

x

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট

পূর্ণ কর অব্যাহতিসহ ৭ দফা সুপারিশ ডিএসই’র

মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮ | ১১:৫১ অপরাহ্ণ | 1615 বার

পূর্ণ কর অব্যাহতিসহ ৭ দফা সুপারিশ ডিএসই’র

আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে তিন বছরের জন্য পূর্ণ কর অব্যাহতিসহ ৭ দফা সুপারিশ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (ডিএসই)।

মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে ডিএসই এবং ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করে। ডিএসই’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল হাসেম প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে ডিএসই’র পরিচালক শরীফ আতাউর রহমান, মো. হানিফ ভূঁইয়া, মিনহাজ মান্নান ইমন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান, ম্যানেজার মো. মিলন মিয়া এবং ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মোস্তাক আহমেদ সাদেক এবং পরিচালক আহমাদ রশীদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পরিচালক আহমাদ রশীদ বলেন, অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা দেশের পুঁজি বাজারের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছি।

তিনি বলেন, আমাদের সুপারিশগুলো পুঁজিবাজার বান্ধব। অর্থমন্ত্রী বিষয়গুলো আগে থেকেই অবহিত আছেন বলে জানান। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

ডিএসই’র পক্ষ থেকে উপস্থাপিত সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- স্টক এক্সচেঞ্জের মেম্বারদের কাছ থেকে ট্রেড এর উপর আদায়কৃত করের হার শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক শূন্য ১৫ শতাংশে কমানো। ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইন অনুযায়ী এক্সঞ্জের বর্তমান শেয়ারহোল্ডারদের ৬০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মূলধনী লাভের উপর কর অব্যাহতি। বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের লভ্যাংশ আয়ের করমুক্ত সীমা ২৫ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লাখ টাকায় উন্নীতকরণ। লভ্যাংশের ওপর উৎসে কর্তনকৃত কর চূড়ান্ত করদায় পরিশোধ হিসেবে বিবেচনা।

ডিমেটিরিয়্যালাইজড শেয়ার ও ডিবেঞ্জার হস্তান্তরের ওপর স্ট্যাম্প ডিউটি প্রত্যাহার। তালিকাভুক্ত কোম্পানির উপর আয়করের হার ২৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ এবং আইপিও এর মাধ্যমে তালিকাভুক্তির পরবর্তী ৩ বছর ১০০ শতাংশ হারে আয়কর রেয়াত প্রদান।

বৈঠকে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সংগঠনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, বাজারের ব্যাপ্তি ও লেনদেন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিএসই সরকারি ট্রেজারি বন্ডের লেনদেন চালু, ইটিএফ, ডেরিভেটিভসের মতো অ্যাডভান্স ইন্সট্রুমেন্ট চালুর জন্য কাজ করেছে এবং তৎসম্পর্কিত অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এসএমই বা স্বল্প মূলধনী কোম্পানির তালিকাভুক্তি ও লেনদেনের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের তত্ত্বাবধানে ডিএসইতে একটি পৃথক বোর্ড গঠনের কাজ এগিয়ে চলছে। এছাড়া পৃথক ক্লিয়ারিং ও সেট্লমেন্ট কোম্পানি এবং ওটিসি মার্কেটের আধুনিকায়নের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে বৈঠকে অর্থমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

অর্থকাল /এসএ/খান

Development by: webnewsdesign.com