ব্রেকিং

x

‘বনের এক ইঞ্চি জায়গা বেদখল থাকলে দখল মুক্ত করা হবে

শনিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | 160 বার

‘বনের এক ইঞ্চি জায়গা বেদখল থাকলে দখল মুক্ত করা হবে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বনের এক ইঞ্চিও জায়গা যদি বেদখল থাকে তা দখল মুক্ত করা হবে। দেশে ১৬/১৭ কোটি মানুষের জায়গা দিয়ে বন রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বন উপকার করলেও আমরা রক্ষা করতে পারছি না। বৃক্ষ শুধু ফল দেয় না, জীবনও রক্ষা করে। সুন্দরবন থাকায় ‘বুলবুল’র কবল থেকে হাজার হাজার প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। গাছ বিপদের বন্ধু। গাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না।

আজ শনিবার দুপুরে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার অডিটোরিয়ামে ধামইরহাট বিটের সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজশাহী সামাজিক বন বিভাগ।

মন্ত্রী আরো বলেন, যারা চেক পেয়েছেন তারা কখনও চিন্তাই করেননি একদিন শ্রমের মূল্য পাবেন। আজ যারা শ্রমের মূল্য পেয়েছেন তাদের দেখে এলাকাবাসী উদ্বুদ্ধ হবেন। যেখানে পতিত জায়গা আছে সেখানে তারাও গাছ লাগাবেন এবং উপকৃত হবেন। দেশ রক্ষায় ২৫ ভাগ বনভূমি থাকার কথা থাকলেও তার নিচে রয়েছে। এজন্য আগে জায়গা দখলমুক্ত করতে হবে। ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধুর শততম জম্মবার্ষীকিতে দেশে ১ কোটি গাছ রোপন করা হবে। পরিবেশ রক্ষায় সবুজ প্রকৃতি গড়তে সব রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি জমিতে ইটভাটা বন্ধে আইন রয়েছে। দুই বা তিন ফসলি জমিতে কোন অবস্থাতে ইটভাটা করা যাবে না। যারা অবৈধভাবে যত্রতত্র ইটভাটা গড়ে তুলেছেন প্রশাসনকে বন্ধ করার নির্দেশ দেন তিনি। এছাড়া পরিবেশ মন্ত্রনালয় থেকেও নির্দেশনা পাঠানো হবে। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে শতভাগ ব্লক ইটের ব্যবহার শুরু করা হবে। ফসলি জমিতে ইটভাটা বন্ধ ও মাটির ব্যবহার কমাতে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদের সভপতিত্বে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ অ্যাড: শহীদুজ্জামান সরকার, বগুড়া সামাজিক বন অঞ্চল বন সংরক্ষক জগলুল হোসেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহমেদ নিয়ামুর রহমান, ধামইরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজাহার আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলদার হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গণপতি রায়, বনবিট কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, রেঞ্জ বিট কর্মকর্তা ফরহাদ জাহান লিটন, পত্নীতলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল গাফ্ফার, পাইকবান্ধা রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা লক্ষণ চন্দ্র ভৌমিকসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে ধামইরহাটে সামাজিক বনায়নের ১৫৬ জন উপকারভোগীদের মাঝে ২ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়। এ সময় সর্বোচ্চ লভ্যাংশের ১৩ লাখ ৭ হাজার ৯৭০ টাকা চেক পান উপজেলার ধুরইল গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে এরশাদ আলী। সকালে উপজেলার আলতাদীঘি শালবন পরিদর্শক করেন এবং একটি ‘মহুয়া’ প্রজাতির একটি বৃক্ষ রোপন করেন মন্ত্রী।

Development by: webnewsdesign.com