ব্রেকিং

x

মারইয়াম মনকিা’র গুচ্ছ কবিতা

বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ | ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ | 26 বার

মারইয়াম মনকিা’র গুচ্ছ কবিতা

* অপক্ষো *

উঁচু সিঁড়িগুলো ভাঙতে ভাঙতে ডুবে যাচ্ছে সাগরে
বুকরে ভতের ফেঁপে ওঠা সমস্ত ব্যথা সময়রে সূতোয় আটকে যায়;
সুখরে জানালায় ঝুলে থাকে যে চুমুগুলো- সময় ফুরালে তা হসেে ওঠে
স্বপ্নরে শয়িরে বসে এঁকে যায় শতাব্দীর পদচহ্নি।

অন্তহীন নীলমিা পরেয়িে মৃত্যু-ঘ্রাণে ভরে যায় রজনীগন্ধার বাগান
গণকিালয়রে উঁচু দয়োলরে ভতের
ছটফট করতে থাকে নষ্পিাপ কশিোরীর সতীআত্মা।

পারজিাত ফুলরে সুবাসে গলে যায় পাথররে দরজা
লাশকাটা ঘর থকেে বরেয়িে আসে আঁধাররে মতো র্দীঘশ্বাস;
বুকরে গহীনরে ধু-ধু তপোন্তররে উচ্চারতি হতে থাক-ে
আর কতো ক্ষয় আর কতো ব্যথা আর কতো দুঃশাসন!

শরীররে নবিড়ি ছায়ায় ভসেে ওঠে গাঢ় অন্ধকাররে সমুদ্র
শুধু অপক্ষো অপক্ষো; যুগ-যুগান্তররে অপক্ষো; কাল- মহাকালরে অপক্ষো
নক্ষত্র ঝরার অপক্ষো ফুল ফোটার অপক্ষো প্রমেরে অপক্ষো
জারুল গাছে সমস্বরে দুটি হলদে টয়িে ডাকার অপক্ষো!

একদনি কাঙ্ক্ষার কস্তুরীর সুগন্ধতিে ভরে উঠবে এ পৃথবিী – সইে অপক্ষো।

* রক্তগঙ্গা *

এখন আর দুচোখরে গণ্ডি পড়েয়িে চুপসিারে অশ্রু ঝরে না
দীপ্ত চাহনতিে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে না
আনন্দ, উচ্ছলতা, প্রাণরে ভালোবাসা
এ চোখে আজ শুধু রক্ত ঝরে
নঃিশ্বাসে প্রবাহতি হয় আগুনরে ফুলকি
রক্তে রঞ্জতি হয় রাজপথ থকেে মোঠোপথ অব্দ।ি

কবেল আকস্মকি ভয় এসে দুচোখ বুজয়িে রাখে
এই না বুঝি রক্তগঙ্গা বয়ে গলেো
রক্তরে স্রোতে বুঝি ভসেে গলেো
আমার বাংলা- আমার স্বাধীনতা।

আমার পবত্রি মাটি রক্তে ভজিে ভজিে
গলা অব্দি কাদাজলে ডুবে যাছে
লাশরে গন্ধে আমার বাংলা মা-
শাড়রি আঁচলে মুখ লুকায় বারংবার,
তাঁর সন্তানহারা কান্নায় সমুদ্রে র্গজন উঠে
আকাশ ফঁেটে র্তজনে র্বষণে আসে বদ্যিুৎ-
দগিন্তকাঁপা র্ঘূণঝিড়
সইে ঝড়ে ছন্নিভন্নি আমার বাংলা মায়রে অন্ন- বস্র
আর মাথার একগোছা রশেমি কালো চুল।

দশিহোরা উদভ্রান্তরে মতো আমি এদকি সদেকি ঘুরে ফরিে
তোমার বুকে মাথা রাখলইে শুনতে পাই-
অগ্নদিগ্ধ মানুষরে করুণ র্আতনাদ
বুলটেে বদ্ধি মানুষরে চাপা শ্বাস।

কবেলি মাথা ঠুকরে ঠুকরে লুটয়িে পড়ি বভিৎস অভশিাপে
র্ধষতিার চৎিকারে আমার কান অসাড় হয়ে যায়
তাদরে জরায়ু ছঁেড়া রক্তে রক্তাক্ত হয়-
শুভ্র শউিল,ি বলেী, হাসনাহনো।

আজ ফরোরি পাখরি মতো ফাঁকি দয়িে
উড়ে গছেে দশেপ্রমে মানবপ্রমে
উপাসনা শুধু ক্ষমতার র্অথরে বত্তিরে
মার-মার, কাট-কাট, ধর-ধর
র্সবত্র বাজে শুধু যুদ্ধ যুদ্ধ দামামা।

যদি প্রশ্ন কর,ি কার জন্য এতো আয়োজন?
কার রক্তে রাঙাও আকাশ ছোঁয়া ভবনরে চুন মাখানো সাদাদয়োল?
কার পায়ে পূজো দবে?ে এতো সুখ!
তোমার দবেী, তোমার ঈশ্বর, তোমার সৃষ্টর্কিতা
নবেে কি এ অভশিপ্ত পূজো?
তবে আর কনে?

* নারী মুক্তরি কথা *

নারী মুক্তরি গান আমরা সবাই গাই
তবুও কি মুক্তি পয়েছেে নারী?
মুক্তি মলেছেে কি নারীর স্বাধীন চন্তিার?
স-েকি শাখা প্রশাখা প্রসারতি করে আস্ত বটোবৃক্ষ হতে পরেছেে কখনো?
স-েকি সমস্ত ঝড় সাইক্লোন উপক্ষো করে
মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পরেছেে পাইন গাছরে মতো?
না-কি তার শাখা- প্রশাখা- প্রকাণ্ড ছটেে ছটেে
হাতরে নাগালে দময়িে বনসাই করে রাখা হয়ছে?ে

নারীর প্রতটিি পদক্ষপে গুনে গুনে হসিাব করে ফলেতে হয়
কারণ তারা কখনো সভেজোনে থাকে না,
তারা ভালো করইে জনেে গছেে
তাদরে চারপাশে হায়নো, জানোয়াররো ওঁৎ পতেে থাক।ে
ওদরে কামকাতুর জভি দয়িে র্সবক্ষণ
কুকুররে মতো লালা ঝরতে থাক,ে
প্রতটিি আঙুলরে আঁচড়ে এমন ভাইরাস
যার এন্টডিট এখনো বাজারজাত হয়ন।ি

প্রতদিনি ফুলরে মতো শতশত জীবন ঝরে যাচ্ছে
অঙ্কুরতি হয়ার আগইে থমেে যায় প্রস্ফুটতি হয়ার ক্ষমতা
আগইে বলছে,ি নারীর কোন সভেজোন নইে।
থাকলে কি আর তনি বছররে শশিু
র্আতচৎিকার করে আকাশ বাতাস ভারী কর?ে
বাস-েট্রাম,ে স্কুল- মাদ্রাসা, হসপটিাল,
তার বডেরুম র্পযন্ত আনসভে
এমনকি আনসভে তার মৃতদহে- কবরেে ও র্মগে
সইে পুরুষই আবার নারী মুক্তরি গান গায়-
বক্তৃতায় মঞ্চ কাঁপায়, রাজপথ বন্ধ করে
দাঙ্গামা, হরতাল, মছিলি, হাতে হাতে নারীর ফস্টেুন
তাতে লখো, ‘নারীর অধকিার চাই’
‘নারী র্ধষণরে বচিার চাই’
‘নারীর মুক্ত’ি ‘ নারীরা শক্ত’ি

* সাদা মষে শাবকরে দল *

পশ্চমি সমুদ্র গঙ্গায় ডোবে পৃথবিীর সমস্ত আলো
সন্ধ্যার নর্জিনতা ছাড়য়িে মাথা চাড়া দয়িে ওঠে গতকালরে রোমাঞ্চতি চুম্বন
অগণতি প্রহররে ক্রন্দনে তরৈি হয় লাল কাঁকড়রে পথ
অলস স্বপ্নরে মতো গাঢ় হতে থাকে চাঁদরে আলো।

রাতরে তামাশায় যখন নাচতে থাকে সাদা মষে শাবকরে দল
আদগিন্ত ফসলরে মাঠে চাষ হয় ধোঁয়াটে বশ্বিাস
অবসন্ন মানুষরে চবিুক বয়েে গড়য়িে পড়ে ধূসর শহর
জমাট বাঁধা বরফরে মতো জমে তথাকথতি সংসার।

এ্যাসমেব্লরি মতো লম্বা লম্বা লাইনে দাঁড়য়িে থাকে সুখ দুঃখ
মাথার মগজ বয়েে বড়েয়িে আসে বরিহরে সুর
ছায়াহীন মাঠরে প্রান্তরে কোলাহল করে অসমাপ্ত সঙ্গম
ব-েপড়োয়া প্রমেরে দব্বিি দয়িে রক্তাক্ত হয় কশিোরী।

জমকানো মসজদি মন্দরিরে ভতের ভর করে আছে গাঢ় শূন্যতা
ফাঁকা আকাশরে বুকে উড়ে যায় পাখরি নীল কান্না
আমাদরে প্রয়োজন ফুরয়িে গলেে জীবন তুড়ি মাড়ে
সাদা মষে শাবকরে দল গুমোট কুয়াশার মতো ছড়াতে থাকে ভূতুরে ছাঁয়া।
ড়গিুলো ভাঙতে ভাঙতে ডুবে যাচ্ছে সাগরে
বুকরে ভতের ফঁেপে ওঠা সমস্ত ব্যথা সময়রে সূতোয় আটকে যায়;
সুখরে জানালায় ঝুলে থাকে যে চুমুগুলো- সময় ফুরালে তা হসেে ওঠে
স্বপ্নরে শয়িরে বসে এঁকে যায় শতাব্দীর পদচহ্নি।

অন্তহীন নীলমিা পরেয়িে মৃত্যু-ঘ্রাণে ভরে যায় রজনীগন্ধার বাগান
গণকিালয়রে উঁচু দয়োলরে ভতের
ছটফট করতে থাকে নষ্পিাপ কশিোরীর সতীআত্মা।

পারজিাত ফুলরে সুবাসে গলে যায় পাথররে দরজা
লাশকাটা ঘর থকেে বরেয়িে আসে আঁধাররে মতো র্দীঘশ্বাস;
বুকরে গহীনরে ধু-ধু তপোন্তররে উচ্চারতি হতে থাক-ে
আর কতো ক্ষয় আর কতো ব্যথা আর কতো দুঃশাসন!

শরীররে নবিড়ি ছায়ায় ভসেে ওঠে গাঢ় অন্ধকাররে সমুদ্র
শুধু অপক্ষো অপক্ষো; যুগ-যুগান্তররে অপক্ষো; কাল- মহাকালরে অপক্ষো
নক্ষত্র ঝরার অপক্ষো ফুল ফোটার অপক্ষো প্রমেরে অপক্ষো
জারুল গাছে সমস্বরে দুটি হলদে টয়িে ডাকার অপক্ষো!

একদনি কাঙ্ক্ষার কস্তুরীর সুগন্ধতিে ভরে উঠবে এ পৃথবিী – সইে অপক্ষো।

 

Development by: webnewsdesign.com