ব্রেকিং

x

রাশিয়া থেকে গোপনে জ্বালানি কিনছে ইউরোপ

রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৯:৩১ অপরাহ্ণ |

রাশিয়া থেকে গোপনে জ্বালানি কিনছে ইউরোপ
সংগৃহীত ছবি

রাশিয়া থেকে গোপনে জ্বালানি আমদানি করছে ইউরোপের দেশগুলো। যুদ্ধের শুরুতে আমদানি কিছুটা কমালেও এখন তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইউক্রেনের প্রতি সংহতি জানিয়ে রুশ জ্বালানি আমদানি নিষিদ্ধ করলেও এখন তা নিজেরাই মানছে না ইউরোপ।

বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি রপ্তানিকারক রাশিয়া। ২০২১ সালে দিনে ৭৮ লাখ ব্যারেল ক্রুড অয়েল, পেট্রোলিয়াম পণ্য রপ্তানি করে মস্কো। এ খাত থেকে আসে বৈদেশিক আয়ের ৩৭ শতাংশ।

ইউক্রেনের প্রতি সংহতি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডাসহ তাদের মিত্ররা রুশ জ্বালানী আমদানি নিষিদ্ধ করে।

বিশ্বকে দেখাচ্ছে কিয়েভের পক্ষে দাঁড়িয়ে নিজ স্বার্থ বিসর্জন দিচ্ছে তারা। অন্যকেও আমদানি বন্ধের পরামর্শ দিচ্ছে। আসলেই কি পশ্চিমারা রুশ জ্বালানি আমদানি বন্ধ করেছে?

রুশ বন্দরে ট্যাংকারে জ্বালানি ভরা হচ্ছে। জাহাজের রুট, গন্তব্য জানা যাচ্ছে না। পণ্যবাহী জাহাজেও পাঠানো হচ্ছে জ্বালানি।

মার্চ পর্যন্ত রুশ ট্যাংকার গায়েবের ৩৩টি ঘটনা ঘটে। জ্বালানির পরিমাণ এক কোটি এক লাখ ব্যারেল। সত্য হচ্ছে গোপনে রুশ জ্বালানি যাচ্ছে ইউরোপে।

রুশ জ্বালানির সবচেয়ে বড় ভোক্তা ইউরোপ। দিনে ৩৮ লাখ ব্যারেল রুশ জ্বালানি কেনে তারা। দাম ৮৫ কোটি মার্কিন ডলার। এ হিসাব যুদ্ধের আগের।

ইউক্রেনে হামলার পর এ নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা দেয় ইউরোপ। যুদ্ধ শুরুর প্রথমদিকে দিনে ১৩ লাখ ব্যারেল আমদানি করলেও এখন তা বেড়ে ১৬ লাখে দাঁড়িয়েছে।

অঞ্চলটির জ্বালানির ৩২ শতাংশ তেলের ২৭ শতাংশ আসে রাশিয়া থেকে। পশ্চিম এশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্র থেকেও জ্বালানি আমদানি করতে পারছে না ইউরোপ।

কারণ তাদের পাইপলাইন, শোধনাগার রুশ জ্বালানির মান অনুযায়ী ডিজাইন করা।

এছাড়া, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা মানে পুতিনকে যুদ্ধে মদদ দেয়া, ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা, তাই গোপনে রুশ জ্বালানি আমদানি করছে ইউরোপ।

রিপোর্ট বলছে, যুদ্ধের পর ইউরোপের গ্রিস, লাটভিয়া, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, নেদারল্যান্ডসসে রুশ জ্বালানি আমদানি বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি।

Development by: webnewsdesign.com