ব্রেকিং

x

শিক্ষা-শিল্প-গবেষণায় ত্রিপাক্ষিক সমন্বয় বাড়াতে হবে

রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ | 26 বার

শিক্ষা-শিল্প-গবেষণায় ত্রিপাক্ষিক সমন্বয় বাড়াতে হবে
সংগৃহীত ছবি

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ কাজে লাগাতে শিক্ষা, শিল্প এবং গবেষণার ত্রিপাক্ষিক সমন্বয় বাড়ানো অপরিহার্য বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা চেম্বার আয়োজিত ‘শিল্প-শিক্ষাখাতের সমন্বয়; নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত’ শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এ কথা জানান।

webnewsdesign.com

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ওয়েবিনারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার বাজারে টিকে থাকার জন্য শিক্ষা ও শিল্পখাতের বিদ্যমান মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে এবং একই সঙ্গে নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য আমাদের ‘শিক্ষা, শিল্প এবং গবেষণা’র ত্রিপাক্ষিক সমন্বয় বাড়ানো একান্ত অপরিহার্য। তিনি দেশের কারিগরি ও প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের ওপর জোরারোপ করেন।

দীপু মনি বলেন, বাণিজ্যিকভাবে গ্রহণযোগ্য টেকসই গবেষণা কার্যক্রমে শিল্পখাতকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। এ ধরনের কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগ একান্ত অপরিহার্য, যার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিল্পখাতের প্রয়োজন মাফিক শিক্ষা কারিকুলাম প্রস্তুতের পাশাপাশি দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে সক্ষম হবে।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কারণে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের অভাবনীয় উন্নতি ও এসডিজি ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিবর্তন বাংলাদেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি সর্বোপরি সামগ্রিক আর্থিক ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার সূচনা হয়েছে। বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারে প্রায় ৬৩.৫ মিলিয়ন লোক নিয়োজিত রয়েছে এবং প্রতিবছর প্রায় ২০ লক্ষ নতুন জনবল শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিযোগী সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে শিল্প ও শিক্ষাখাতের সমন্বয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৫ সালের মধ্যে বর্তমানে কর্মক্ষম জনশক্তির প্রায় ৫০ ভাগকেই পুনঃদক্ষ করে তুলতে হবে এবং দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এবং বেসরকারিখাতকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, শিল্পখাতের প্রয়োজনের নিরিখে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা সম্ভব হলে বিদেশ হতে কর্মী নিয়োগ নিরুৎসাহিত হবে, যার মাধ্যমে স্থানীয় মেধাবীদের কাজের সুযোগ বাড়বে।

ওয়েবিনারের মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। মূল প্রবন্ধে তিনি শিল্প ও শিক্ষাখাতের কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বাজারে বাংলাদেশের টিকে থাকার জন্য শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে আরো বেশি হারে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

নির্ধারিত আলোচনায় এ্যাপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, বুয়েট-এর ‘রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’র পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান তালুকদার, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক তাহমিনা বিনতে মোস্তফা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ইন্সটিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’-এর অধ্যাপক ও পরিচালক ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার অংশগ্রহণ করেন।-ঢাকা পোস্ট

Development by: webnewsdesign.com