ব্রেকিং

x

শ্রীমঙ্গলে এক রাতে তিনটি বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৬:০৬ অপরাহ্ণ | 53 বার

শ্রীমঙ্গলে এক রাতে তিনটি বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
সংগৃহীত ছবি

শ্রীমঙ্গলে এক রাতে তিনটি বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে এই বাসাগুলোর লোকজনকে খাবারের সাথে চেতনানাশক দ্রব্য মিশিয়ে অচেতন করে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে।

ডাকাতরা জানালার গ্রীল ভেঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫ লক্ষ টাকাসহ প্রায় ৯ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৩ পরিবারের ১৬ জনকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ ফেসবুকের ষ্ট্যাটাস ও ৯৯৯ এ সংবাদ পেয়ে ভোরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অচেতন অবস্থায় ওই ১৬ জনকে উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃতরা হলেন পৌরসভার শ্যামলী আবাসিক এলাকার ব্যবসায়ী খালেদ মিয়া (৩৫), তার স্ত্রী উম্মে জাহান উর্মি (২৬), মা শামসুন্নাহার (৫০), বোন সাকেরা বেগম (৩৪), ভাই জাহেদ মিয়া (২০) ও কাজিন রাশেদ আহমেদ (২০), পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা টিউবওয়েল ঠিকাদার আব্দুল লতিফ (৫০), স্ত্রী রাহেলা বেগম (৪০), তার দুই কন্যা সীমা আক্তার (২৩) ও রীমা আক্তার (১৭), একই দালানের উপর তলার ফরিদ মিয়া (৫০) ও স্ত্রী ও ৪ ছেলে- এদের নাম জানা যায়নি। পরিবার ৩টি জনৈক মিলন মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকতো।

খালেদ মিয়ার ভগ্নিপতি বাকের মিয়া জানায়, রাত ১২ টার দিকে পরিবারের লোকজন ঘুমিয়ে পড়ে। ভোর চারটার দিকে খালেদ মিয়া জেগে উঠেন। এরপর পরিস্থিতি বুঝে তার ফেসবুকে বিষয়টি জানিয়ে একটি স্ট্যাটাস ও ৯৯৯-এ ফোন দেন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ এসে খালেদ মিয়া ও তার পরিবারের ৫ সদস্যকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

বাকের মিয়া আরও জানান, রান্নাঘরের জানালার গ্রীল ভেঙ্গে ডাকাতরা ভেতরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙ্গে ব্যবসার নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।

পুলিশের উদ্ধার কাজের সময় পাশের ও উপরের ফ্লাটের বাসিন্দারা জেগে চিৎকার করলে পরিবার দুটির আরো ১১ সদস্যকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ। এর মধ্যে আব্দুল লতিফের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এমএ কাইয়ূম নামে স্থানীয় এক প্রতিবেশী জানান খালেদ মিয়ার বাসা ছাড়া অপর দুই বাসার কোন কিছু খোয়া যায়নি।

শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, সন্ধ্যার কোন এক সময় ডাকাতেরা রান্নাঘরের জানালা দিয়ে খাবারে চেতনানাশক স্প্রে করে থাকতে পারে। পরে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে ডাকাতি সংঘটিত হয়। এ নিয়ে পুলিশ সক্রিয়। অপরাধীদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।

Development by: webnewsdesign.com