ব্রেকিং

x

শ্রীমঙ্গলে নৃ-গোষ্টির আবাসস্থল পরিদর্শনে সস্ত্রীক নবাগত জেলা প্রশাসক ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৭:৩০ অপরাহ্ণ | 145 বার

শ্রীমঙ্গলে নৃ-গোষ্টির আবাসস্থল পরিদর্শনে সস্ত্রীক নবাগত জেলা প্রশাসক ও প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ

মৌলভীবাজারের নবাগত জেলা প্রশাসক সরকারী এক অনুষ্টানে শ্রীমঙ্গল উপজেলার অত্যন্ত দুর্গম অঞ্চল লাংলিয়াছড়াতে ৮টি খাসি ( খাসিয়া) পুঞ্জির নৃ- জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপহার তুলে দেন।

শুক্রবার(১১সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পাহাড়ি দূর্গম এলাকা লাংলিয়া ছড়া খাসিয়া পুঞ্জিতে সস্ত্রীক পরিদর্শনে যান মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। সেখানে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা শেষে বিভিন্ন পুঞ্জি থেকে আসা পুঞ্জি প্রধানদের হাতে এই উপহার তুলে দেন তিনি। সর্বপ্রথম কোন জেলা প্রশাসক উপজেলা দুর্গম খাসি পুঞ্জিতে গেলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার নজরুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) নেছার উদ্দিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, লাংলিয়া ছড়া খাসিয়া পুঞ্জির গ্রাম প্রধান (মান্ত্রী) কিরি লাংথং সহ অন্যান্য পুঞ্জির প্রধানগণ।
এসময় বিভিন্ন পুঞ্জির ৮জন প্রতিবন্ধির মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ৫ হাজার টাকা করে, ৪টি খাসিয়া পুঞ্জির স্কুলঘর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা, ১২০টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, মাস্ক ও খাসি মাতৃভাষার বই বিতরণ করা হয়।

এদিকে লাংলিয়া খাসিয়া পুঞ্জিতে জেলা প্রশাসক পৌছালে সেখানে নৃ – জনগোষ্টির মধ্যে মধ্যে আনন্দ বয়ে যায়। তারা প্রথম বারের মতো কোন জেলা প্রশাসককে সেখানে পেয়ে খুশিতে মেতে উঠেন। ছোট শিশুরা ফুল দিয়ে জেলা প্রশাসককে বরণ করে নেন।

 

সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার প্রশাসন জনগণের ঘরে গিয়ে সেবা পৌঁছে দেয়ার । সেই নির্দেশনার অংশ হিসেবেই জেলা প্রশাসক আপনাদের ঘরে এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন, আমি জেলা প্রশাসক হিসেবে সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষগুলোকে মূল স্রোতধারায় আনয়নের লক্ষ নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এখানকার যাতায়াতের রাস্তা অত্যন্ত নাজুক ও আমরা যারা সচরাচর আসি না তাদের জন্য অন্যরকম

 

অভিজ্ঞতা। এ রাস্তার পাকাকরনের কাজ শুরু করা হবে, আমি আবার আসবো আপনাদের মাঝে পাকা রাস্তা যদি করে দিতে পারি। আর সবচাইতে বড় বিষয় হলো – নিকটতম বিদ্যালয়ের দুরত্ব ১৫ কি.মি. তাহলে এখানকার শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়গামীতার জন্য রাস্তার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশী।

উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক এই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেতে সরকারী গাড়ি ব্যবহারের বদলে টিপরাছড়া এলাকা থেকে জীপ ব্যবহার করেন। এ সময়  বিজিবির একটি প্রতিনিধিদলও তাদের সাথে ছিলো।

Development by: webnewsdesign.com