ব্রেকিং

x

সাড়ে তিন লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন

বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১ | ১:৪১ অপরাহ্ণ |

সাড়ে তিন লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন
ফাইল ছবি

ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম থেকে সরকারিভাবে (জি টু জি) আরও সাড়ে ৩ লাখ টন চাল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দরপত্র ছাড়াই চাল কেনার বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আগের বৈঠকেও স্বল্প সময়ের দরপত্রের মাধ্যমে সাড়ে ৫ লাখ টন চাল আমদানির অনুমোদন নিয়েছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়।

ভারতের পাঞ্জাব স্টেট সিভিল সাপ্লাই করপোরেশন থেকে দেড় লাখ টন সেদ্ধ চাল, থাইল্যান্ডের সাকোন্নাক্ষণ ন্যাশনাল ফার্মার্স কাউন্সিলের কাছ থেকে দেড় লাখ টন সেদ্ধ চাল এবং ভিয়েতনামের সাউদার্ন ফুড করপোরেশনের কাছ তেকে ৫০ হাজার টন আতপ চাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে কমিটি।

অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত বৈঠকের সভাপতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দরপত্র আহ্বান করে আমদানি করতে গেলে সময় লাগে, দাম ওঠানামা করে। সে জন্য এ প্রক্রিয়ায় চাল আমদানি করা হচ্ছে।

বাজারে দেশের এই প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম কয়েক মাস ধরেই চড়া। সরকারি মজুদও কমে গেছে। এ অবস্থায় আড়াই মাস ধরে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির চেষ্টা করছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চালের দাম এখনও ঠিক হয়নি। আমরা অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি থেকে অনুমোদন দিয়েছি যেন তারা দরদাম ঠিক করতে পারে।

সিঙ্গাপুর-সুইজারল্যান্ড থেকে আরও এলএনজি আসছে :আগের তুলনায় কিছুটা কম দামে বিশ্ববাজার থেকে দুই চালানে আরও ৬৭ লাখ ২০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি আমদানি করছে সরকার। বুধবারের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়া ও সুইজারল্যান্ডের এওটি ট্রেডিংয়ের কাছ থেকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ করে এলএনজি কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, এওটি ট্রেডিংয়ের কাছ থেকে প্রতি এমএমবিইউটি ৮ দশমিক ৩৪৫ ডলারে কেনা হচ্ছে। ভ্যাট, ট্যাপসহ এতে মোট খরচ হচ্ছে ২৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। সিঙ্গাপুরের ভিটল এশিয়ার কাছ থেকে একই পরিমাণ এলএনজি ৭ দশমিক ২১ ডলারে কেনা হচ্ছে। ভ্যাট, ট্যাপসহ এতে মোট খরচ হচ্ছে ২৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ক্রয় কমিটির বৈঠকে নির্মাণাধীন ‘কুড়িগ্রাম (দাসেরহাট)-নাগেশ্বরী-ভুরুঙ্গামারী-সোনাহাট স্থলবন্দর সড়ককে জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের একটি অংশের কাজ মঈনুদ্দিন লিমিটেডকে দেওয়া হয়। ডব্লিউপি-০২ প্যাকেজের এ কাজে খরচ হবে ১৩৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সড়কটি জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়ককে মহাসড়কে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একনেক থেকে আগেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

Development by: webnewsdesign.com