ব্রেকিং

x

১৪ জুনের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ

মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮ | ১১:৩৩ অপরাহ্ণ | 816 বার

১৪ জুনের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ

ঈদ উপলক্ষে আগামী ১৪ জুনের মধ্যে পোশাক শ্রমিকসহ সব শ্রমিকদের মে মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা (বোনাস) পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। মঙ্গলবার সচিবালয়ে গার্মেন্টস ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কোর কমিটির সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১০ জুনের মধ্যে মে মাসের বেতন পরিশোধ করতে হবে। ঈদের আগে পর্যায়ক্রমে পোশাক শ্রমিকদের ছুটি দেওয়া হবে। আর ছুটির আগে বা ১৪ জুনের মধ্যে অবশ্যই উৎসব ভাতা পরিশোধ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আগামী ঈদ যেন শ্রমিকরা আনন্দঘন পরিবেশে করতে পারে সে জন্য আমরা বিভিন্ন শিল্প সেক্টরের মালিক সমিতির সদস্যদের বলেছি, মে মাসের বেতনটা যাতে ঠিকভাবে দিয়ে দেন, কোন ল্যাকিংস না থাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিটিং করে অঞ্চলভিত্তিক ছুটির ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন। যে অঞ্চলে আগে ছুটি দেওয়া হবে, সেই অঞ্চলে যাতে আগেই উৎসব ভাতা দেওয়া হয়।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে কেউ কেউ দাবি করেছেন, ঈদের আগে জুন মাসের বেতনের একটা অংশও যাতে দেওয়া হয়। সাধারণত মাস শেষ হলে বেতন দেওয়া হয়। কিন্তু শ্রমিকরা যেহেতু ঈদের আগে কেউ ১০, কেউ ১২, কেউ ১৪ তারিখ পর্যন্ত কাজ করবেন, সেখানে ওই সময়ে আলাদা করে বেতন দেওয়া তো সম্ভব নয়। এটা ওপেন রেখেছি, মালিক পক্ষে যদি সম্ভব হয় ৫-১০ দিনের বেতন দেবেন। তবে বাধ্যবাধকতা নেই। এটা কিন্তু আইনেও কাভার করে না।’
মুজিবুল হক বলেন, ‘ভাঙাচোরা গাড়ি ও ট্রাকে বাড়ি ফেরার সময় অনেক শ্রমিক মারা যান। আমরা হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের বলে দিয়েছি, যাতে তারা এটা খেয়াল রাখেন। যে যে মন্ত্রণালয়ের যেসব কাজ, সব কাজগুলো যাতে করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেসব মন্ত্রণালয়ের, যেমন- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করব যেন সময় মতো শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করে দেয়।’
ঝামেলা হতে পারে এমন শিল্প কারখানার তালিকা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়েছে কি না? -সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের লিস্ট দিয়েছেন। আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী আপডেট। একটা শিল্প সেক্টরে হাজার হাজার ফ্যাক্টরি, কিছুটা তো সমস্যা থাকতেই পারে। যার অবস্থা ভালো না এ রকম মালিকের বউয়ের অলঙ্কার বিক্রি করে, ফ্যাক্টরির মেশিন বিক্রি করে, জায়গা বিক্রি করেও আমরা বেতনের ব্যবস্থা করেছি। এটা আমরা মনিটর করি, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ মনিটর করে।’
শ্রম মন্ত্রণালয়ের তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি টিম কাজ করে জানিয়ে মুজিবুল হক বলেন, ‘সমস্যা হলে তারা উদ্যোগ নেয়। সমস্যা হয় না, হলেও আমরা ফেস করি। তারপরও হইতে’ই পারে, সেটা খুব মাইনর। সরকার ও মালিক পক্ষের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই।’
সভায় তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স-এর সভাপতি রায় রমেশ চন্দ্র, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, বাংলাদেশ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক-কর্মচারী লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম রনি, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

webnewsdesign.com

অর্থকাল /এসএ/খান

Development by: webnewsdesign.com