ব্রেকিং

x

২০ জানুয়ারি শ্রীমঙ্গলে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে ৩০০শ পরিবার

শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১ | ৫:২৮ অপরাহ্ণ |

২০ জানুয়ারি শ্রীমঙ্গলে  মাথা গোঁজার ঠাঁই পাবে ৩০০শ পরিবার
ফাইল ছবি

মুজিববর্ষের উপহার ঘর পাবে গৃহহীন পরিবার এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আরো ৩০০শ নির্মাণকৃত নতুন পাকা ঘর পাবে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভুমিহীন পরিবার,

মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার
হিসেবে এই নির্মাণকৃত নতুন ঘরগুলি পাচ্ছেন ভুমিহীন পরিবার।

ভুমিহীনদের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এরই মধ্যে গৃহহীন ১৬০ জনের জন্য তৈরি করা হয়েছে নতুন ঘর।

আগামী ২০ জুন গৃহহীনদের মাঝে তুলে দেওয়া হবে নির্মাণকৃত ঘরের চাবি। ওইদিন সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের এই ঘরগুলোর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইতিমধ্যে বাকি ১৪০টি নতুন ঘরের নির্মাণ কাজ চলছে। নতুন ঘরের কাজ শেষ হলে এগুলো দ্রুত তুলে দেওয়া হবে ভুমিহীনদের হাতে। এর আগে শ্রীমঙ্গলে প্রথম ধাপে ৩শ জন গৃহহীন পরিবারকে নতুন ঘর তুলে দেওয়া হয়েছিল।

নতুন করে ৩শটি ঘর নির্মাণের জন্য বাছাই করা হয়েছিল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নে মাইজদিহি পাহাড়ি এলাকায়। এই জায়গার সরকারি জায়গায় এরই মধ্যে তৈরী করা হয়েছে ১৬০টি পাকা ঘর।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের মাইজদিহি পাহাড়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ ঘুরে দেখা যায়, পাহাড়ের উপরের খালি জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় ১৬০টি ঘর। ১০/১২টি ঘরের চাল লাগানো বাকি থাকলেও বাকি সব কাজ শেষ।

এই জায়গার অন্যপাশে আরও ১৪০টি ঘর নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করে সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ঘরগুলোর পাশে নির্মিত করা হচ্ছে একটি স্কুল ঘর। চারদিকে সবুজে ঘেরা এই জায়গায় লাল টিনের চালগুলো বেশ অসাধারণ লাগছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নজরুল ইসলাম বলেন, এই টিলার উপরের জায়গাটি সরকারের। এখানে অবৈধ দখলদাররা দখল করে রেখে আনারস, লেবু চাষ করতো। আমরা এই জায়গাটি দখলমুক্ত করে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ করেছি। আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাত্র দেড় কিলোমিটারের ভেতরে ভৈরবগঞ্জ বাজারের মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে। এক কিলোমিটারের মধ্য রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি ক্লিনিক। ঘরের পাশাপাশি এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মসজিদ, একটি মন্দির নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়া, বিদ্যুৎ, পানি, ইন্টারনেট, যোগাযোগ ও গ্রোথ সেন্টারসহ সবকিছুই থাকবে।

তিনি আরও বলেন, এখন ১৬০টি ঘর ভুমিহীন পরিবারের মাঝে তুলে দিচ্ছি। বাকিগুলোর কাজও খুব দ্রুত শেষ করে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এখানে পাহাড়ি এলাকায় তারা লেবু, আনারস ইত্যাদি ফসল চাষ করে নিজেদের কর্মসংস্থান নিজেরাই করতে পারবে। এখানে টিলার জায়গায় ঘর নির্মাণ করতে আমাদের কোন টিলা কাটতেও হয়নি। সুন্দর পরিবেশে এখানে সবুজে ঘেরা জায়গায় খুব ভালোভাবেই বসবাস করতে পারবে নতুন বাসিন্দারা।

Development by: webnewsdesign.com