রাজধানীর আটটি কেন্দ্রে স্কুল ও কলেজের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান শুরু হয়েছে। এসব কেন্দ্রে মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) ৯ হাজার ছাত্রছাত্রী টিকা নিতে পেরেছেন। যদিও লক্ষ্য ছিল ১৭ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়ার।
টিকা নিয়ে কেন্দ্রগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। তবে টিকা পেতে নানা ভোগান্তিও সইতে হয়েছে তাদের।
সকাল ৮টায় এসেও সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টিকা নিতে পারেনি অনেকে।
সোমবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার কাজে ব্যবহূত কেন্দ্রগুলো হলো- মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, হার্ডকো ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (ভাটারা), সাউথ পয়েন্ট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (মালিবাগ), চিটাগং গ্রামার স্কুল (বনানী), কাকলি হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ (ধানমন্ডি), ঢাকা কমার্স কলেজ (চিড়িয়াখানা রোড), স্কলাস্টিকা (মিরপুর ১৩) ও সাউথ ব্রিজ স্কুল (উত্তরা)।
মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর আটটি কেন্দ্রে ২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৭ হাজার ৬২ জন শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়ার টার্গেট ছিল। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়। টিকা নেয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের টিকা কার্ডের দুটি কপি সঙ্গে করে নিয়ে কেন্দ্রে আসতে হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, টিকা দেয়ার সময় বেশি সময় নষ্ট হয়েছে স্কুলের পোশাক পরে থাকার কারণে। কিছু কেন্দ্রে দেখা যায়, টিকা নেয়ার পর বিশ্রামে না থেকে শিক্ষার্থীরা মাঠে দৌড়াদৌড়ি ও আনন্দে মেতে ওঠে। এতে অনেকে অসুস্থও হয়ে পড়ে।
এসব কারণে টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে কিছু নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ফারুক বলেন, টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের অপেক্ষাকৃত ঢিলা হাতার স্কুল ড্রেস পরে বিদ্যালয়ে আসতে হবে। ছেলেরা হাফ হাতা শার্ট পরে আসবে। এতে টিকা দেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না।
Development by: webnewsdesign.com