যদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তাইওয়ান সফরে যান তাহলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।
সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান এ কথা বলেন। খবর রয়টার্স ও তাসের।
দৈনন্দিন ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, যদি পেলোসি তাইওয়ান সফরে যান তবে তা হবে চীনের অভ্যন্তরীণ নীতিতে কুরুচিপূর্ণ হস্তক্ষেপ এবং তা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে।
‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে আরও একবার বলতে চাই, চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি অলসভাবে বসে থাকবে না। বেইজিং সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখন্ডতা রক্ষায় দৃঢ় প্রতিক্রিয়া ও শক্তিশালী পাল্টা ব্যবস্থা নেবে’, যোগ করেন তিনি।
লিজিয়ান মনে করেন, পেলোসির তাইওয়ান সফর তাইওয়ান প্রণালীর পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলবে এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে আঘাত হানবে। চীন অবশ্যই দৃঢ় ও কার্যকর পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে যে, পদমর্যাদা অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি পেলোসি আগস্টে তাইওয়ান সফরে ইচ্ছুক। এ খবর দিয়েছে দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও পলিটিকো।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, তিনি এপ্রিলেই এ সফর করতে চেয়েছিলেন। তবে করোনার কারণে এটি হয়নি। এটি যদি হয় তবে তা হতে যাচ্ছে ২৫ বছরের মধ্যে তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের প্রথম সফর।
রোববার পেলোসির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এশিয়ার উদ্দেশে দেশ ত্যাগ করেছে। এ সফরে ওই দলের সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান সফর করার কথা রয়েছে।
১৯৪৯ সাল থেকেই তাইওয়ান স্থানীয় প্রশাসন দ্বারা শাসিত হয়ে আসছে। যদিও চীন একে নিজের একটি প্রদেশ হিসেবেই বিবেচনা করে। আর বেইজিংয়ের এ অবস্থানকে সমর্থন করে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ।
Development by: webnewsdesign.com