গত জুন মাসে দেশে সার্বিকভাবে পণ্য ও সেবার দর বৃদ্ধির হারে নতুন রেকর্ড হয়েছে। জুন মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ, যা গত ৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৪২ শতাংশে ওঠে, যা ছিল ৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
আরও উদ্বেগজনক তথ্য হলো, গ্রামে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। জুনে গ্রাম এলাকায় সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ০৯ শতাংশ, যেখানে শহরে এ হার ৬ দশমিক ৬২ শতাংশ। গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। শহরে হয়েছে ৭ দশমিক ১১ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত সূচকে গ্রামে ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং শহরে ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আজ মঙ্গলবার মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, খাদ্য সূচকে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আগের মাসে যা ছিল ৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত সূচকে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। মে মাসে এ সূচকে ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়।
এদিকে, বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত (২০২১-২২ অর্থবছর) গড় মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল গত অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩ শতাংশের মধ্যে রাখা।
পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি হচ্ছে আগের বছরের নির্দিষ্ট কোনো মাসের ভোক্তা মূল্যসূচকের তুলনায় পরের বছর একই মাসে ওই সূচক যতটুকু বাড়ে তার শতকরা হার। অন্যদিকে, ১২ মাসের পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির গড় করে গত এক বছরের গড় পরিসংখ্যান বের করা হয়। খাদ্য এবং খাদ্য বহির্ভূত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য নিয়ে বিবিএস মূল্যস্ফীতির হিসাব করে থাকে।
Development by: webnewsdesign.com