চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব থেকে এবারও বিদায় নেওয়ার শঙ্কায় বার্সেলোনা। একদম খাদের কিনারা দাঁড়িয়ে আছে দলটি। ওখান থেকে ‘জান বাঁচিয়ে’ ফিরতে হলে দুর্দান্ত ফুটবল খেলতে হবে। ভাগ্যের ভরসাও করতে হবে।
গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলে কাতালান ক্লাবটি অর্থনৈতিক দুর্যোগে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ শুরুতেই আসর শেষ হলে মোটা অঙ্কের অর্থ হারাবে দলটি। ক্লাবের বিভিন্ন সম্পত্তি বিক্রি করে, বন্ধক রেখে চলতি মৌসুমে অর্থ জোগাড় করা বার্সা ওই ধাক্কা সামলে উঠতে পারবে কিনা ওই প্রশ্ন থাকছেই।
খেলোয়াড়দের উচ্চ বেতন, করোনায় আর্থিক ক্ষতির কারণে বার্সেলোনা ‘গরিব ক্লাবে’ পরিণত হয়েছে। বেতন দিতে না পারায় লিওনেল মেসি গত মৌসুমে ফ্রি এজেন্টে ক্লাব ছেড়েছেন। ওই বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় কাতালানরা।
ক্লাব কিংবদন্তি জাভি হার্নান্দেজ কোচের দায়িত্ব নিয়ে দলটা আমূল বদলে ফেলেছেন। রবার্ট লেভানডভস্কি, রাফিনহা, জুলেন কুন্দের মতো ফুটবলার কিনেছেন। ফ্রি এজেন্টে জাভি আলোনসো, ফ্রাঙ্ক কেসি, ক্রিস্টেনসেনদের দলে এনেছেন। লিগে দলটি ভালো করলেও ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে বিবর্ণ।
চার ম্যাচে দুই পরাজয়, এক সমতা করেছে তারা। পরবর্তী ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ঘরের মাঠে জিতলেই বেঁচে থাকবে শেষ ষোলোর আশা। সংবাদ মাধ্যম মুন্ডো দেপোর্তিভো দাবি করেছে, ওই ম্যাচ হেরে দলটি বিদায় নিলে ২০ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৯৪ কোটি ১১ লাখ টাকা আয় হারাবে বার্সা।
ওই রেভিনিউ হারালে ‘ঋণ করে ঘি খাওয়া’ বার্সা দেউলিয়া হওয়ার শেষ ধাপে পা বাড়িয়ে দেবে। এরই মধ্যে ‘এল ন্যাশনাল’ দাবি করেছে, বার্সার অর্থনৈতিক দুর্যোগ আসন্ন। চলতি মৌসুম শেষে লিওনেল মেসিকে ক্যাম্প ন্যুতে ফিরিয়ে আনার যে স্বপ্ন ক্লাবটি দেখছিল তা ‘কাঁচা ঘুমেই’ ভেঙে গেছে।
Development by: webnewsdesign.com