কাতারকে বিশ্বকাপের স্বত্ত্ব দেওয়ার সমর্থন ছিল না ইউরোপের দেশগুলোর। ফুটবল সংস্কৃতির দেশ নয় কাতার। আবহাওয়া অনুকূলে নয়। মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ নানা অভিযোগ ছিল। বিশ্বকাপ যখন দুয়ারে তখনও ওইসব অভিযোগ আছে।
এমনকি ইউরোপের বেশ কিছু দেশ বিশ্বকাপের মুখে এসেও প্রতিবাদ করেছে। জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ফিলিপ লাম বিশ্বকাপ বয়কট করেছেন। ডেনমার্ক প্রতিবাদ করেছে। তারা শ্রমিক মৃত্যু ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ করে বিশেষ জার্সি পরতে চেয়েছিল।
বিশ্বকাপে সমকামিতা নিষিদ্ধ করায় রেইনে বো আর্মব্যন্ড পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, ওয়েলস, জার্মানি, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ডের মতো ইউরোপের দেশ। এর মধ্যে কাতার বিশ্বকাপের সমর্থন করতে গিয়ে ফিফা প্রেসিডেন্ট জিওন্নি ইনফান্তিনো যেমন কিছু তিক্ত সত্য বলেছেন তেমনি অদ্ভূত মন্তব্যও করেছেন।
তার মতে, কাতারের প্রতি ইউরোপের মনোভাব ভণ্ডামি ছাড়া কিছু নয়, ‘আমার মনে হয় আমরা ইউরোপিয়ানরা গত তিন হাজার বছরে যা করেছি তাতে উপদেশ দেওয়ার আগে তিন হাজার বছর ধরে আমাদের আগে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত।’
তিনি বলেন, ‘আজ আমার মনে হচ্ছে আমি কাতারি, আমি আরব, আমি আফ্রিকান। আমার মনে হচ্ছে আমি গে, আমি বিকলাঙ্গ। নিজেকে মনে হচ্ছে অভিবাসী শ্রমিক। যদিও আমি কাতারি, আরব আফ্রিকান, গে বা বিকলাঙ্গ নয়। কিন্তু আমার ওমনই মনে হচ্ছে। কারণ বৈষম্য বলতে কী বোঝায় তা আমি জানি। কারণ আমিও ছোটবেলায় বুলিংয়ের শিকার হয়েছি।’
Development by: webnewsdesign.com