ব্যবসায়ী হিসেবে সরকার কাছে অনুরোধ থাকবে, সহনীয় পর্যায়ে ভর্তুকি দিয়ে আমাদের সাহায্য করুন। কস্ট অব প্রোডাকশন (উৎপাদন খরচ) যদি আমরা ধরে রাখতে পারি, তবে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে টিকে থাকা সহজ হবে।
শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর এমসিসিআই কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম।
এমসিসিআই সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতি মাসে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম সমন্বয় করা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা এসেছে। অন্তত এ বছরটা বিদ্যুতে সহনীয় পর্যায়ে ভর্তুকির ব্যবস্থা করে দেওয়া যায় কি না, তা ভেবে দেখার অনুরোধ করছি। সরকার যদি এটা ভেবে দেখেন, তাহলে আমরা টিকে থাকতে পারবো।
তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম ইন্ডাস্ট্রি লেভেলে বেড়ে গেলে সবক্ষেত্রেই তার প্রভাব পড়বে। আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পারিনি কীভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম মাসে মাসে সমন্বয় করা হবে। এটা যদি পরিষ্কার হয়, তাহলে ব্যবসায়ীদের জন্য পরিকল্পনা করা সুবিধা হবে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের বৈদেশিক আয় তিনটা (রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও ডেভেলপমেন্ট পার্টনার) সোর্স থেকে আসে। আগের মতো আমদানি হলে ২০২২-২৩ অর্থবছরে সেটি ৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতো। সরকার কিছু উদ্যোগ নেওয়ায় গত ছয়মাসে আমদানি হয়েছে ৩৮ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আমদানি কমেছে ২ দশমিক ১৩ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের টার্গেট অনুযায়ী এ আমদানি হবে ৮০ বিলিয়ন ডলারের। আমদানি যদি কমে যায় আর রিজার্ভ যদি ঠিক থাকে, তাহলে স্বস্তি পাবো। আমদানিতে বিলাসপণ্য কমাতে হবে। কাঁচামালের আমদানি কমলে তা ব্যবসায়ীদের জন্য চিন্তার কারণ হবে।
সংগঠনের সহ-সভাপতি হাবিবুল্লাহ নেয়ামুল করিম বলেন, এমসিসিআই কখনোই ঋণ খেলাপিদের জায়গা দেয় না। আমরা কখনোই খেলাপি ঋণ মওকুফ দাবি করিও না। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছি কীভাবে খেলাপি কমানো যায় সেটি নিয়ে।
তিনি বলেন, আমরা রপ্তানি বহুমুখীকরণে কাজ করছি। তৈরি পোশাক শিল্পের সঙ্গে অন্য খাতেও কীভাবে রপ্তানি বাড়ানো যায়, সেটা নিয়ে কাজ করছি। আমাদের আরও উন্নত অর্থনীতির কথা ভাবলে শুধু পোশাক খাতে নির্ভর করলে হবে না। অন্যান্য খাত যেমন- লেদার, প্লাস্টিক, আইটির রপ্তানিও বাড়াতে হবে।
Development by: webnewsdesign.com