ব্রেকিং

x

বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না ডিম

বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ |

বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না ডিম
ফাইল ছবি

সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম মানছেন না ডিমের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। ফলে আগের বাড়তি দরেই ডিম কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এবং উৎপাদন না বাড়িয়ে দর নির্ধারণ করলে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয় না।

দাম বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের এ সময়ে তৎকালীন সরকার ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল। কিন্তু তখনও তা মানা হয়নি বাজারে। এ বছরও একই পথে হাঁটছে বাজার। গতকাল বুধবার ঢাকার কয়েকটি বাজারে বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হয় প্রতি ডজন ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। তবে পাড়া-মহল্লার দোকানে কিনতে গেলে ক্রেতাকে আরও ৫ টাকা বেশি গুনতে হয়েছে। সরকারের বেঁধে দেওয়া দরের চেয়ে যা ১২ থেকে ২২ টাকা পর্যন্ত বেশি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দর ১১ টাকা ৮৭ পয়সা নির্ধারণ করে দেয়। সেই হিসাবে প্রতি ডজনের দর দাঁড়ায় প্রায় ১৪৩ টাকা। এদিকে দেশি হাঁস-মুরগির ডিমের ডজন খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ২০৫ থেকে ২১৫ টাকা দরে।

ডিম ব্যবসায়ীদের বড় সংগঠন তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আমানত উল্লাহ বলেন, স্টেকহোল্ডার তথা উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই সরকার দর নির্ধারণ করেছে। উৎপাদন না বাড়িয়ে দর বেঁধে দিলে তা বাস্তবায়ন হবে না। তাঁর যুক্তি, সাম্প্রতিক বন্যায় ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুরসহ দেশের পূর্বাঞ্চল তলিয়ে গেছে। হাজার হাজার ফার্মের লাখ লাখ মুরগি মারা গেছে। ফলে ডিমের উৎপাদন কমেছে। কিন্তু চাহিদা কমেনি। বরং বর্ষাকালে ডিমের চাহিদা বেশি থাকে। এসব কারণে ডিমের দর বেশি।

এক বিবৃতিতে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম বলেছে, দর নির্ধারণের ক্ষেত্রে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এবং পোলট্রি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সমন্বয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপে ভোক্তা প্রতিনিধি রাখার দরকার ছিল। তবে অসাধু মজুতদারদের সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে দাম বেঁধে দিয়ে কখনোই বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তদারকি না করলে বাজার আরও অস্থির হয়ে ওঠবে এবং করপোরেট গ্রুপগুলো এর সুযোগ নেবে।

অন্যদিকে প্রান্তিক খামারিদের দাবি, মুরগির ফিডের বাজার পুরোপুরি করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণে। তারা ফিডের দাম কমালে উৎপাদন খরচ কমবে। কিন্তু খাদ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ না নিয়ে ডিম আমদানি করলে দেশের ছোট খামারিরা লোকসানের মুখে পড়বে। তাই উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

×
News Image
বিস্তারিত কমেন্টে…

Development by: webnewsdesign.com