শুভ মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। গতকাল বুধবার মহালয়ায় হিন্দু সম্প্রদায় চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে নেমে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
মহালয়ার সাত দিন পর আগামী ৯ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ, বিহিত পূজা এবং দশভূজা দেবী দুর্গার আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা।
মহালয়া উপলক্ষে গতকাল রাজধানীসহ দেশের মন্দির ও পূজামণ্ডপে ধর্মীয় নানা আচার-অনুষ্ঠান হয়। চণ্ডীপাঠ ছাড়াও মঙ্গলঘট স্থাপন, চণ্ডীপূজা এবং শঙ্খ বাজিয়ে দেবীকে মর্ত্যে আহ্বান জানান ভক্তরা। ছিল ভক্তিমূলক সংগীত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় আলোচনা সভা।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে বুধবার ভোর ৬টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙ্গনের কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপে শুরু হয় মহালয়ার আচার অনুষ্ঠান। সকাল সাড়ে ৭টায় পূর্বপুরুষের আত্মার শান্তি কামনা করে তিল-তর্পণ এবং সাড়ে ৮টায় মহালয়ার ঘট স্থাপন ও বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় দুর্গার মহিষাসুর বধ দেখানো হয়।
রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মন্দিরেও ছিল অনুরূপ আনুষ্ঠানিকতা। বনানী মাঠের পূজামণ্ডপে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন ভোরে চণ্ডীপাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উত্তরার ১৭/ই সেক্টরের উত্তরা সার্বজনীন মন্দিরে এ দিন ভোরে মহালয়ার নানা আনুষ্ঠানিকতা ছিল। এ ছাড়া খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণ, স্বামীবাগের লোকনাথ মন্দির, রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রম, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির, সিদ্ধেশ্বরী পূজামণ্ডপসহ রাজধানীর অন্যান্য মন্দির ও মণ্ডপেও মহালয়ার কার্যাদি ও অনুষ্ঠানমালা আয়োজিত হয়।
Development by: webnewsdesign.com