ব্রেকিং

x

মানুষের সুবিধার জন্য ৯টি ভাষার একটি অ্যাপ করেছি : প্রধানমন্ত্রী

মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ১০:২৭ অপরাহ্ণ |

মানুষের সুবিধার জন্য ৯টি ভাষার একটি অ্যাপ করেছি : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের মানুষের কাজের সুবিধার জন্য আমরা ৯টি ভাষার একটি অ্যাপ করে দিয়েছি। ডিজিটাল সিস্টেমে যে কেউ যেন ভাষা শিখতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

মঙ্গলবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার বিকেলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, শিশুরা তাড়াতাড়ি ভাষা শিখতে পারে। তারা একসঙ্গে দুই-তিনটা ভাষা দ্রুত শিখে নেয়। তবে কোনটা ধারণ করবে সেটা আসে পরে। মাতৃভাষায় শিক্ষাটা হলে সবকিছু জানা, বোঝা ও উপলব্ধি প্রকাশ করার উপকার অনেক বেশি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালিকে ধ্বংস করার জন্য ভাষার ওপর আঘাত এসেছিল। তবে বাঙালি রক্ত দিয়ে ভাষার অধিকার আদায় করেছিল।

তিনি বলেন, আজ আমাদের মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতি রক্ত দিয়ে মা ডাকার অধিকার পেয়েছিল আজকের এই দিনে। জাতিকে ধ্বংস করার জন্য সংস্কৃতির ওপর অনেক আঘাত আনা হয়। আমাদের ভাষা পাল্টে দিয়ে অন্য ভাষা তুলে ধরা হয়।

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করাচিতে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে একটি শিক্ষা সম্মেলন করা হয়েছিল। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করা হবে। এই খবর আসার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করে। তখন এভাবে প্রতিবাদ শুরু হয়। ভাষার জন্য আমাদের আন্দোলন, সংগ্রাম অব্যাহত ছিল।

অনুষ্ঠানে তিন ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে মাতৃভাষা পদক দেওয়া হয়।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট সূত্রে জানা গেছে, বেদে জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে ভূমিকা রাখায় পুলিশ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান এই পদক পাচ্ছেন। এ বিষয়ে তার ‘ঠার : বেদে জনগোষ্ঠীর ভাষা’ নামে একটি বই রয়েছে।

পদকের জন্য মনোনীত অন্যদের মধ্যে রনজিত সিংহ পদার্থবিদ্যার একজন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক (কলেজের) ও গবেষক। হারিয়ে যেতে বসা মণিপুরি বিষ্ণুপ্রিয়া ভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন ও বিকাশে কাজ করছেন তিনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই ভাষায় সাহিত্যচর্চা, গবেষণা ও বই প্রকাশে তিনি অবদান রেখেছেন। আর ভারতের মাহেন্দ্র কুমার মিশ্র বহু ভাষার শিক্ষা নিয়ে কাজ করেন। পদকের জন্য মনোনীত প্রতিষ্ঠান কানাডার ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ লাভারস অ্যাসোসিয়েশন ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা আদায়ের প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

×
News Image
বিস্তারিত কমেন্টে…

Development by: webnewsdesign.com