বাজারে তেল ও পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলেছে। সেই সঙ্গে দেখা দিয়েছে সংকটও। প্রতি লিটার ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৫ থেকে ১০ টাকা বেশিতে।
এদিকে, সারাদেশে একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ টাকা। ক্রেতারা বলছেন, বাজারে গিয়ে তারা কোন দিশা খুঁজে পাচ্ছেন না।
আর বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহকারিদের কাছ থেকে পণ্যেই পাওয়া যাচ্ছে না। তারা মনে করেছেন, রমজানের আগেই পণ্যের দাম বাড়াতে বাজারে সক্রিয় হয়েছে একটি সিন্ডিকেট।
সারাদেশেই নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা চলছে। এজন্য বিক্রিতারা দোষ দিচ্ছে পাইকার ও সরবরাহকারিদের। আর ক্রেতার বলছেন, নিতপণ্যের এমন উর্ধ্বগতিতে তারা অসহায় বোধ করছেন।
কোন বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানি আর ডিলাররা ভোজ্যতেল সরবরাহ না করায় বাজারে তেল সংকট তৈরি হয়েছে। এতে খোলা সয়াবিন ও পাম ওয়েলের দাম বেড়েছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, তেল সরবরাহকারীদের ফোন করেও পাওয়া যাচ্ছে না। রমজানের আগে বেশি মুনাফার জন্য ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।
যশোরেও ৩৫ টাকার পেঁয়াজ সপ্তাহের ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা আর খুচরা প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকায়।
ক্রেতারা বলছেন, বাজার মনিটরিং না থাকায় সামাল দেয়া যাচ্ছে না বাজার পরিস্থিতি।
ময়মনসিংহের খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭০ টাকায়। ভারতীয় পেঁয়াজ কিছুটা কমে কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। হঠাৎ পেঁয়াজ ও তেলের এমন বাড়তি দামে নাভিশ্বাস ভোক্তাদের।
ঝিনাইদহে তেল, পেঁয়াজের পাশাপাশি বেড়েছে লবন, চিনি, আটাসহ সব পণ্যের দাম বেড়েছে
১০ থেকে ২০ টাকা। তাই বাজার মনিটরিংসহ সরকারের হস্তক্ষেপ চান সাধারন মানুষ। তবে বিক্রেতাদের সেই একই অভিযোগ পণ্য কম আসছে তাই দাম একটু চড়া।
Development by: webnewsdesign.com