‘মেঘ’
মেঘের জলে স্নান করি চল
মেঘের জলে স্নান,
কষ্টগুলো ধুয়ে-মুছে সব
সুখ করি অম্লান।
মেঘের দেশের স্বপ্ন বুনি
মেঘের দেশের গান,
মেঘের দেশেই চল ভেসে যাই
সুখ করি অম্লান।
মেঘের সাথেই কানাকানি
মেঘের সাথেই বাস,
মেঘের মাঝেই যাই ঝরিয়ে
বুকের দীর্ঘশ্বাস।
মেঘের জলে স্নান করি চল
মেঘের জলে স্নান,
কষ্টগুলো ধুয়ে-মুছে সব
সুখ করি অম্লান।
‘ঘুড়ি’
মেঘের পরে মেঘ ছুটে যায়
ঢেউ এর পরে ঢেউ
হইলনা কেউ
একজীবনে
আকাশ নদীর কেউ।
একজীবনের বাড়াবাড়ি
একজীবনের সাধ
মিটলনা আর
প্রাণের আশা
ভাঙল মনের বাঁধ।
একটা জীবন পার করে দেই
একলা বসে ঘাটে
আগুন রঙা
রবি আমার
অস্ত গেছে পাটে।
এক জীবনের হাহাকারে
সব পুড়ে ছারখার
কষ্ট আমার
নষ্ট মনে
খোঁচায় বারংবার।
স্বপ্ন দেখাও স্বপ্ন ভাঙো
দারুণ ছলচাতুরী
আমি এখন
বড্ড একা
সুতা কাটা ঘুড়ি।
‘স্মৃতি’
হাসতে হাসতে কাঁদছি দেখো
ভাসছি চোখের জলে
কুঁকড়ে আছি মেঝের উপর
কষ্টগুলো দলে।
যতই ভাবি ভুলে যাবো
যায়না ভোলা ওরে
অতীত স্মৃতি চক্ষু মাঝে
অশ্রু হয়ে ঝরে।
কথা ছিল থাকবো দুজন
হয়ে দুঃখের সাথী
এখন তোমার বন্ধ দুয়ার
নিভিয়ে দিলে বাতি।
এখন তোমার সুখের জীবন
অবাঞ্ছিত আমি
লাঞ্ছনাতে ভাসছে আমার
কাটছে দিবসযামি।
‘ফাগুন দিন’
হাত বাড়াও
মন রাঙাও
সুখ জাগাও
মনের কোণে।
চোখ খোলো
দুঃখ ভোলো
ফুল তোলো
পলাশ বনে।
ঐ দেখো
ফাগুন দিন
আনছে বয়ে
সুখের ঋণ।
ঐ দেখো
কাটছে মেঘ
যাচ্ছে ভেসে
দুঃখের দিন।
‘মুখপুড়ি’
মুখপুড়ি তুই জীবন নিয়ে ধরিসনে আর বাজি
মিছে মায়ায় মিছে কায়ায় করিসনে কারসাজি।
মুখপুড়ি তোর বাড়া ভাতে ছাই পড়েছে, বেশ হয়েছে! বেশ হয়েছে!
মুখপুড়ি তুই চোখ মেলে দেখ, দে ছুঁড়ে দে অতীত টাকে!
ভাসাও আবার প্রাণের তরী মুখপুড়ি তোর জীবন বাঁকে।
মুখপুড়ি তুই আবার ওড়াও রঙিন ফানুস মন আকাশে,
মুখপুড়ি তোর কষ্ট যেন মেঘ হয়ে যায় দূর আকাশে।
অর্থকাল/এস/এম
Development by: webnewsdesign.com